বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে মহানবী (দ.) এর আখলাক, আদালত ও মারহামাত নিয়ে সেমিনার

রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে বহুমুখী আয়োজনের ধারাবাহিকতায় ঢাকা ফোরাম অব থট অ্যান্ড সিভিলাইজেশন (DFTC)-এর উদ্যোগে আখলাক, আদালত ও মারহামাতের পয়গাম্বর হিসেবে মুহাম্মদ (দ.) শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের একটি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন DFTC-এর প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফোরামের জেনারেল সেক্রেটারি শাকিক আব্দুল্লাহ।

সেমিনারে একক আলোচক হিসেবে আলোচনা করের ইসলামী চিন্তা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সমাজ-সভ্যতা বিষয়ক গবেষক হাসান আল ফিরদাউস।

আলোচনার শুরুতে তিনি সীরাতের পরিচয়, সীরাত উপলব্ধির প্রয়োজনীয়তা এবং সমকালীন সময়ে সীরাত অনুধাবনের বিভিন্ন সংকট তুলে ধরেন। পরে আখলাক, আদালত ও মারহামাতের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে রাসূলুল্লাহ (দ.) কীভাবে তাঁর সীরাতজুড়ে ব্যক্তি, সমাজ ও সভ্যতা বিনির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন, তা বিশ্লেষণ করেন।

আলোচনায় বিশেষভাবে দারুল আরকামকে তরবিয়তের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং সাহাবায়ে কেরামকে নববী সোহবতে রেখে আখলাক, মারহামাত ও আদালতের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। একই সঙ্গে মহানবী (দ.) কে মানবজাতির শিক্ষক হিসেবে বোঝার গুরুত্ব এবং বর্তমান সমাজে আখলাক ও মারহামাতসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে আদর্শ শিক্ষক তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

হিজরতসহ রাসূলুল্লাহ (দ.) এর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা থেকে সমকালীন সমাজের জন্য শিক্ষা গ্রহণ এবং সেই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নতুন ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের পথ নিয়েও গভীর বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন আলোচক।

বক্তব্যে সীরাতের আলোকে ব্যক্তি, সমাজ ও সভ্যতা পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মহানবী (দ.) এর আখলাক, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে বর্তমান সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার আহ্বানও জানানো হয়।

আরো পড়ুন
সর্বশেষ
সর্বোচ্চ পঠিত