আগামী ১৪ আগস্ট পবিত্র মাহে রবিউল আউয়ালকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি এবং চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ আগস্ট ৫৫তম জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। একই সঙ্গে জুলুছে অংশগ্রহণের সম্মতি জানিয়েছেন ট্রাস্টের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট আওলাদে রাসূল আল্লামা পীর সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মু.জি.আ.)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম। সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
সভায় পাকিস্তানের সিরিকোট দরবার শরীফ থেকে ভিডিও কলে যুক্ত হন আল্লামা পীর সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ। তিনি ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট আওলাদে রাসূল হুযুর কেবলা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মু.জি.আ.)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)-তে অংশগ্রহণের সম্মতি জানান। এ সময় তিনি উপস্থিত ও অনুপস্থিত সবার জন্য দোয়া করেন।
সভায় মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সিরিকোট দরবার শরীফের আওলাদে রাসূলগণের ছদারতে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় জানানো হয়, ১৪ আগস্ট শুক্রবার বাদে আসর আনজুমান ট্রাস্টের ব্যানারে এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সহযোগিতায় স্বাগত র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। র্যালিটি চট্টগ্রামের জিইসি মোড়স্থ জমিয়তুল ফালাহ থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হবে। এতে সর্বস্তরের মুসলমানকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ আগস্ট ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচি সফল করতে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জনদুর্ভোগ কমাতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় জুলুছে অংশ না নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় স্থানীয়ভাবে জুলুছ আয়োজনের অনুরোধ করা হয়।
সভায় ট্রাস্টের অতিরিক্ত সেক্রেটারি মোহাম্মদ সামশুদ্দীনকে আহ্বায়ক করে একাধিক উপকমিটি গঠন, কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভার শুরুতে ট্রাস্টের সাবেক জয়েন্ট সেক্রেটারি মরহুম সিরাজুল হকের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। পরে স্বাগত র্যালি, জুলুছ ও সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির সফলতা কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান।