চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ফ্যাকাল্টি অডিটোরিয়ামে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং দারুল এরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে এ বক্তৃতার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, ইসলামী সংগীত, সামা ও ইনশাদ শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এর মাধ্যমে মানুষের মনন, চিন্তা, জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক অনুভূতির সমন্বয় ঘটানো সম্ভব। শ্রুতিমধুর পরিবেশনার মাধ্যমে জ্ঞান, ইতিহাস, ধর্মীয় শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়।
তিনি বলেন, মাইজভাণ্ডার শরীফের আধ্যাত্মিক চর্চায় সংগীতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে গবেষণার যথেষ্ট সুযোগ আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ ও দারুল এরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট এ বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ নিয়েছে জেনে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, মাইজভাণ্ডারী কর্মকাণ্ডের দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা ইতিবাচকভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা বিস্তারে স্কুল-কলেজে সহযোগিতা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সহায়তা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার ও গবেষণার আয়োজন ও গবেষণা-সহায়তা প্রদান এসব কার্যক্রম মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল আলম। সঞ্চালনা করেন একই বিভাগের প্রভাষক আহমদ ইমরানুল আজিজ তালুকদার।
স্বাগত বক্তব্য দেন দারুল এরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ.এস.এম. বোরহান উদ্দীন।
স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাহরাইনের সুপ্রিম কোর্ট অব ক্যাসেসনের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. ইব্রাহিম আল-শেখ রশিদ আল-মুরাইখি এবং মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক দাওয়া ফ্যাকাল্টির সাবেক ডিন ড. জামাল ফারুক জিবরিল মাহমুদ।