চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, ইমামে আহলে সুন্নাত, দেড় সহস্রাধিক গ্রন্থের রচয়িতা ইমাম আহমদ রেজা খান বেরলভী (রহ.)-এর ১০৮তম উফাত উপলক্ষে ভৈরবে উরসে আ’লা হযরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় ভৈরব ফুড প্যালেস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আলা হযরত ফাউন্ডেশন ভৈরবের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাওলানা এমদাদুল হক রাজনগরী। তিনি বলেন, ইমাম আহমদ রেজা খান (রহ.)-এর আদর্শ, চিন্তাধারা ও গবেষণাকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে হবে। বাতিল মতবাদ মোকাবিলায় তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ সুস্পষ্ট দলিল ও শক্তিশালী জ্ঞানভিত্তিক অস্ত্র হিসেবে কাজ করে।
শিয়াবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রা.) রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবি। এ বিষয়ে তিনি যেকোনো স্থান ও সময়ে দলিলভিত্তিক আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এবং দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ভৈরব শম্ভুপুর দারুচ্ছুন্নাত নেছারিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি মাসউদ আলম। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ভৈরব রাউফিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা এমদাদুল হক বকশী।
আলা হযরত ফাউন্ডেশন ভৈরবের সভাপতি মাওলানা মাসুম রেজা ক্বাদেরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ আড়াইসিধা কামিল মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা মুফতি সফর উদ্দিন ক্বাদেরী, আলা হযরত ফাউন্ডেশন আশুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি সাইদুর রহমান রিজভী, কিশোরগঞ্জ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ রুবেল হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট নিয়াজ মোহাম্মদ লিংকন, মুফতি বোরহান উদ্দিন রেজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসাইন খান, মাওলানা আজহার মাহমুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রসেনার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মইজুল হক সাব্বির, মাওলানা রহমতুল্লাহ কামাল, হাফেজ জসিমউদ্দীন জলিলি এবং মুফতি মোবাশশির বিন হেলালী।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ বাহার উদ্দিন আশরাফী, মুহাম্মদ সোহেল সরকার, মুহাম্মদ দুধ মিয়া সরকার, মাওলানা মোবারক হোসাইন ক্বাদেরী, মাওলানা ফরহাদ রেজা ক্বাদেরী, শায়ের রকিবউল্লাহ রিয়াদ, মাওলানা সালাহউদ্দিন ক্বাদেরী, হাফেজ সোলাইমান চিশতী, হাফেজ জাকির হোসাইন, মাওলানা রাসেল আত্তারী, খন্দকার অলিউল্লাহ, মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মাওলানা নূর আলম ভৈরবী, মাওলানা মোজাক্কির বিন হেলালী, রাকিবুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম, হাফেজ মোকাররম হোসাইন, মাওলানা জুনায়েদ প্রধান, মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ খান, মুহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসাইন, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মুহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, মুহাম্মদ তুহিন খান, তুষার খানসহ স্থানীয় আলেম, সুধীজন ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।