মিয়ানমার সীমান্তে নেটওয়ার্ক-বিদ্যুৎহীন গ্রামে জশনে জুলুস উদযাপন

মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা দুর্গম জনপদ লেমুছড়ি। এখান থেকে দু’চার মিনিট হাঁটলেই ওপারে মিয়ানমার। অথচ আধুনিক নাগরিক সুবিধার দিক থেকে গ্রামটি যেন এখনও পড়ে আছে ১৯৭০-এর দশকে। নেই বিদ্যুৎ, নেই মোবাইল নেটওয়ার্ক। সড়ক যোগাযোগও অনেকটা অচল। প্রতিদিন হাতে গোনা দু’চারটি যানবাহন চলাচল করে।

তবে নাগরিক সুবিধা থেকে পিছিয়ে থাকলেও নবীপ্রেম ও ধর্মীয় জ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে নেই এই সীমান্ত জনপদের মানুষ। দুর্গম লেমুছড়িতে রয়েছে লেমুছড়ি জামেয়া তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা। যেখানে নিয়মিত চর্চা হয় আক্বিদা, সুন্নিয়ত ও ইসলামী জ্ঞান।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) জুমার নামাজের পর মাদ্রাসাটির উদ্যোগে বের করা হয় জশনে জুলুস ও র‍্যালি। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। দুর্গম এই জনপদে এসে মানুষের ঈমান, ভালোবাসা ও নবীপ্রেমের এমন প্রকাশ মুগ্ধ করেছে আগতদের। প্রযুক্তি ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে দূরে থেকেও ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সুন্নিয়তের জ্ঞানচর্চায় এখানকার মানুষের আগ্রহ যেন আলাদা এক দৃষ্টান্ত।

স্থানীয়রা জানান, সীমান্তের এই দুর্গম এলাকায় ধর্মীয় শিক্ষা ও ইসলামী সংস্কৃতি ধরে রাখতে মাদ্রাসাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

আরো পড়ুন
সর্বশেষ
সর্বোচ্চ পঠিত