সুফি সমাজের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো অভ্যন্তরীণ বিভক্তি: মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী

৫ আগস্ট থেকে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সুফি সমাজের উপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চলছে। এতে দেশের সামাজিক নৈরাজ্য ও অস্থিরতা পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। এই পরিস্থিত থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সুফি সমাজের প্রতিনিধিরা কী ভাবছেন এ নিয়ে দ্য সুফি টাইমস কুমিল্লা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বখশীয়া দরবারের গদিনশীন পীর সাহেব মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী’র সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। আলাপচারিতায় আক্রমণের বহুমাত্রিক কারণের পাশাপাশি উঠে এসেছে সুফি সমাজের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতাও। পাঠকদের জন্য পুরো সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো।

 

দ্য সুফি টাইমস: ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে সুফি সমাজ যে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছে এ বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ জানালে ভালো হয়।

মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সুফিসমাজের উপর আক্রমণের একটি নৃশংস ধারা শুরু হয়েছে, যা এখনো পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই আক্রমণগুলি শুধু সুফিদরগাহ, মাজার, খানকাহ এর উপর ফোকাস করেছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিচয়ের মূল অংশ। এই আক্রমণগুলো রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলার অভাব এবং ধর্মীয়চরমপন্থীদের উত্থানের ফলে ত্বরান্বিত হয়েছে।

অধিকাংশ দরবারগুলোতে ওরসের সময় এই আক্রমণের ঘটনা বেড়েছে এবং অনেক স্থানে মিলাদ মাহফিল ও সেমা মাহফিলের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও বাধা দেওয়া হয়েছে।  এই পর্যবেক্ষণ থেকে মনে হয়, এটি একটি সুনির্দিষ্ট ক্যাম্পেইন, যা বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার লক্ষ্যে পরিচালিত।

 

দ্য সুফি টাইমস: এই আক্রমণের পেছনে কী কী কারণ আছে বলে আপনি মনে করেন।

মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী: আক্রমণের পেছনে একাধিক মতাদর্শিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক কারণ রয়েছে বলে মনে করি। এই কারণগুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আইন-শৃঙ্খলা অত্যন্ত দুর্বল হয়েছে, যা চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, হিজবুত তাহরির, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং ‘তাওহিদি জনতা’) সুযোগ দিয়েছে। এই গোষ্ঠীগুলো মসজিদ এবং মাদ্রাসাকে ব্যবহার করে মব সংগঠিত করছে। সরকারের ‘জিরো-টলারেন্স’ ঘোষণা সত্ত্বেও মাত্র ২০জন গ্রেপ্তার হয়েছে, যা অপর্যাপ্ত।

সুফিবাদকে ‘বিদআত’ আখ্যা দিয়ে ওয়াহাবি-সালাফি প্রভাবিত গোষ্ঠীগুলো মাজারগুলোকে টার্গেট করেছে। এটি বাংলার একতাবদ্ধ ঐতিহ্য তথা সুফিদের সাথে সাধারণ মানুষের আত্মার বন্ধনকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টা। বাউল এবং ফকিরদের চুল কাটা, মহিলাদের পোশাক নিয়ে হয়রানি এবং ওরস ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করা এর অংশ। এছাড়া, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং জমি-সংক্রান্ত বিরোধও ভূমিকা রাখছে।

 

দ্য সুফি টাইমস: এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে একটি বৈচিত্র্যময় স্থিতিশীল সমাজ আমরা কীভাবে গঠন করতে পারি?

মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী: বৈচিত্র্যময় স্থিতিশীল সমাজ গঠনের জন্য বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি দরকার, যা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরে কাজ করবে। নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো কার্যকর হতে পারে:

আইনি এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ: সরকারকে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে—আক্রমণকারীদের দ্রুত বিচার এবং শাস্তি, সুরক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে মাজারগুলো রক্ষা, এবং হেট স্পিচ আইনকে কার্যকর করা। ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করতে নিয়মিত মনিটরিং করার মাধ্যমে উগ্রপন্থা রোধ করা সম্ভব।

শিক্ষা এবং সচেতনতা: স্কুল-কলেজে সুফিবাদের সহনশীল ঐতিহ্য শেখানো, মিডিয়া ক্যাম্পেইন চালানো এবং সাংস্কৃতিক উৎসবে বৈচিত্র্য প্রচারের মাধ্যমে জনসাধারণের নিকট সুফিবাদের শিক্ষা পৌঁছানো।

রাজনৈতিক ঐক্য: সক্রিয় সকল রাজনৈতিক দল মিলে ‘বৈচিত্র্য সুরক্ষা চুক্তি’ গ্রহণ করুক। নির্বাচনের আগে ধর্মীয় চরমপন্থীদের রাজনীতিতে প্রবেশ বন্ধ করার মাধ্যমে উগ্রপন্থা রোধ করা যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক সহায়তা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং UN-কে জানানো যাতে অর্থনৈতিক সাহায্যের শর্ত হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়। সুফি সংস্কৃতিকে UNESCO-এর অধীনে সংরক্ষণ করা।

সমাজভিত্তিক উদ্যোগ: স্থানীয় কমিউনিটি ফোরাম গঠন যেখানে সুফি এবং অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠী মিলে শান্তি রক্ষা করবে। এতে স্থিতিশীলতা আসবে এবং চরমপন্থা কমবে।

মাদ্রাসার নিরীক্ষণ: কওমি মাদ্রাসাগুলো সহ সকল ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম নিরীক্ষণ করতে হবে। কোনো উগ্র বা বিভেদ সৃষ্টিকারী মতবাদ শেখানো হচ্ছে কি-না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

গণমাধ্যমে প্রচারণা: গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুফিবাদের উদারতা, মানবতাবোধ এবং শান্তির বার্তা প্রচার করতে হবে, যা উগ্রবাদের প্রচারণাকে প্রতিহত করবে।

এই পদক্ষেপগুলো দীর্ঘমেয়াদী হলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সমন্বয়মূলক সমাজ পুনরুদ্ধার সম্ভব।

 

দ্য সুফি টাইমস: দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে সুফি সমাজের কার্যকর অনুপস্থিতি নেই কেন?

মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী: সুফি সমাজ বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকরভাবে অনুপস্থিত। বাস্তবে এটা ঠিক উল্টো। সুফি সমাজ কখনোই ‘অনুপস্থিত’ ছিল না; বরং তারা সবসময় উপস্থিত ছিল, কিন্তু তাদের উপস্থিতি ছিল অ-প্রাতিষ্ঠানিক, বিকেন্দ্রীকৃত এবং দুর্বল শক্তি হিসেবে– যা আধুনিক রাষ্ট্র-রাজনীতির চোখে সহজে ধরা পড়ে না। এই কারণগুলোই মূলত তাদের ‘কার্যকর অনুপস্থিতি’র ক্ষেত্র তৈরি করেছে:

প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিতে অনীহা ও অসংগঠিত অবস্থা: সুফি তরিকাগুলো (কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া, মুজাদ্দেদীয়া ইত্যাদি) কখনো একক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অধীনে আসেনি। প্রতিটি খানকাহ বা দরগাহ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। ফলে কোনো ‘সুফিপার্টি’ গড়ে ওঠেনি। পীর-মুরিদী ব্যবস্থা ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক সম্পর্কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, দলীয় রাজনীতির ওপর নয়। তাই তারা ভোটের রাজনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারেনি।

রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বারা ব্যবহারহয়ে অদৃশ্যহয়ে যাওয়া: প্রায় সব বড়দলই নির্বাচনে পীর-মাশায়েখদের সমর্থন নেয়, কিন্তু তাদের কখনো নীতি-নির্ধারক হিসেবে গ্রহণ করে না। ফলে সুফিনেতারা ‘ভোট-ব্যাংক’ হয়ে থাকেন, কিন্তু ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকেন না। তাদের প্রভাব থাকে, কিন্তু সেই প্রভাব দৃশ্যমান নয়।

চরমপন্থী প্রচারণার কারণে অবৈধকরে দেয়া: ১৯৮০-এর দশক থেকে ওয়াহাবি-সালাফি প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে সুফিবাদকে ‘বিদআত’, ‘শিরক’, ‘কবরপূজা’ বলে প্রচার করা হয়েছে। এতে অনেক মধ্যবিত্ত ও শিক্ষিত সমাজে সুফিদের প্রতি এক ধরনের লজ্জা বা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ফলে সুফি সমাজ নিজেরাই অনেক সময় প্রকাশ্যে ‘সুফি’ বলতে সংকোচ করে; তারা বলে ‘আমরা সুন্নি মুসলমান’। এতে তাদের পরিচয় অদৃশ্য হয়ে যায়।

নিজেদের মধ্যে বিভক্তি ও আধুনিকতার অভাব: এক তরিকা আরেক তরিকাকে প্রায়শই ‘কম খাঁটি’ মনে করে। এই অভ্যন্তরীণ বিভেদ একত্রিত হয়ে কোনো রাজনীতি/আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধা দেয়। এছাড়াও যুবকদের আকর্ষণ করার জন্য আধুনিক মিডিয়া, ইংরেজি-বাংলা দ্বিভাষিক প্রচারণা, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের উপস্থাপন করার অভাব রয়েছে।

সুফি সমাজ কখনো অনুপস্থিত ছিল না। তারা সমাজের গভীরে, গ্রামে-গঞ্জে, মানুষের হৃদয়ে, সংস্কৃতিতে সবসময় ছিল এবং আছে। কিন্তু তারা কখনো প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার কেন্দ্রে আসেনি এবং আসতে চায়নি। এই ‘অদৃশ্য থাকার’ সংস্কৃতিই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল – কিন্তু বর্তমান চরমপন্থী হুমকির যুগে এটা তাদের দুর্বলতাও হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

দ্য সুফি টাইমস: বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সুফি সমাজের করণীয় কি বলে মনে করেন?

মাওলানা কুতুব উদ্দিন শহিদী বখশী: বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সুফি সমাজের কয়েকটি কৌশলগত এবং সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আধ্যাত্মিক প্রভাবের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতিরক্ষা ও উদারনৈতিক মূল্যবোধের রাজনৈতিক প্রসার ঘটানো।

সুফি সমাজের করণীয় কাজগুলো নিম্নরূপ:

একটি জাতীয় সুফি প্ল্যাটফর্ম গঠন করা: সুফি সমাজের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো তাদের বিভক্তি। কার্যকর ভূমিকা রাখতে এই বিভেদ দূর করা আবশ্যক। সকল প্রধান দরবারের পীর, মুরিদ ও প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় সুফি ঐক্য প্ল্যাটফর্ম বা কাউন্সিল গঠন করা। এই প্ল্যাটফর্ম ধর্মীয়ও রাজনৈতিক বিষয়ে সুফি সমাজের একক কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে।

ইসলামের উদারতার ব্যাখ্যা প্রচার: সুফিবাদ যে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবপ্রেম ও শান্তির বার্তা বহন করে, তা আধুনিক ভাষা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে (যেমন: সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব) জোরালোভাবে প্রচার করা।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: দরবারগুলোর আর্থিক সামর্থ্য ব্যবহার করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বা দাতব্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা। এতে তারা সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আস্থা অর্জন করবে।

এই সমন্বিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণের মাধ্যমে সুফি সমাজ কেবল তাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারবে না, বরং বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে উদার ইসলামিক মূল্যবোধের ধারক হিসেবে আরও গুরুত্বপূর্ণ, কার্যকর ও স্থিতিশীল ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সর্বশেষ

গত ১২ ডিসেম্বর, রোজ শুক্রবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম শাহানশাহ্ হযরত…

মাইজভাণ্ডারী যুব ফোরামের উদ্যোগে গতকাল ১১ ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নানুপুর লায়লা-কবির ডিগ্রী কলেজে…

লেখক: শাহজাদা সৈয়দ ফয়জুল আবেদীন আরমান ফরহাদাবাদী   পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে: “নিশ্চয়ই আল্লাহর অলিদের…

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মশুরীখোলা দরবার শরীফের বর্তমান গদিনশীন পীর শাহ মুহাম্মদ সাইফুজ্জামান সাহেবের দায়িত্ব গ্রহণের ১ম…

আজ ১০ ডিসেম্বর, রোজ বুধবার চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার বার্ষিক…

আওলদে রাসুল (দ.), আওলাদে গাউছুলআজম মাইজভাণ্ডারী (ক.), প্রথিতযশা চিকিৎসক, সমাজসংস্কারক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মাইজভাণ্ডারী তরিকার…

মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারীর অন্যতম প্রধান খলিফা সৈয়দ আমিনুল হক ফরহাদাবাদীর…

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলের মাইজভাণ্ডারী যুব ফোরাম’র উদ্যোগে আগামী ১১ ডিসেম্বর,…

আজ ৭ ডিসেম্বর, কুমিল্লা শহরে অবস্থিত বখশীয়া দরবার শরীফ’র বখশীয়া যুব ফোরাম’র ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।…

গত ৫ ডিসেম্বর, রোজ শনিবার চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার রাজাপুরা দরবার শরীফে ৩৪তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল…

বাংলাদেশের সুফি সংস্কৃতি চর্চার সংগঠন শাহেন শাহে সিরিকোট ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ, চট্টগ্রাম’র…

আজ ৪ ডিসেম্বর, রোজ বৃহস্পতিবার আযহার একাডেমী – বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৫জন আযহারী স্কলারের তত্ত্বাবধানে…