চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ও পানিবন্দি অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে নিরলসভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন দাওয়াতে ইমানী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মানবিক কার্যক্রমে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, নগদ অর্থ সহায়তা, জরুরি ওষুধ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একাধিক স্বেচ্ছাসেবী দল দিন-রাত দুর্গত এলাকায় কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সমালোচনা, সাইবার বুলিংয়ের মাঝেও অব্যাহত মানবিক কার্যক্রম
জনপরিসরে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত একটি নাম। বিভিন্ন সময়ে তার বক্তব্য ও দাওয়াতি কার্যক্রমকে ঘিরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে দুর্যোগের সময় সেই সব আলোচনা-সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। সমর্থক-বিরোধী নানা মত থাকলেও বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে তার উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
২০২২, ২০২৪ ও ২০২৬—প্রতিটি দুর্যোগেই সক্রিয় উপস্থিতি
সদ্যঘটিত বন্যায় তার মানবিক কর্মসূচি কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যা, ২০২৪ সালের ফেনী–কুমিল্লার বন্যা এবং বর্তমান ২০২৬ সালের চট্টগ্রামের বন্যা—প্রতিটি দুর্যোগেই মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর নেতৃত্বে দাওয়াতে ইমানী বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে দেখা গেছে। তাৎক্ষণিক ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা, নগদ অর্থ বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন কার্যক্রমেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
মানবিক এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের ভাষ্য, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না ফেরা পর্যন্ত তাদের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দুর্যোগে মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি ফোটানোই তাদের প্রধান লক্ষ্য। আর সেই ধারাবাহিক মানবিক উপস্থিতির কারণেই সাম্প্রতিক বন্যায় মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।